বন্দু

————– শরতের শুভেচ্ছা ———-
__________/এম এ মেহেরাজ_______
শান্তা,
শরতকালে ফুটে থাকা
কাশফুল দেখেছো তুমি?
কেমনভাবে রাঙিয়ে তুলে
পাহাড়ি বনভূমি।

দেখেছো বন্ধু রক্তিম সূর্য
কেমনে অস্ত যায়?
পাহাড়ের বুকে নদি ধরে
মাঝি নৌকা বায়?

পাহাড়ী বনে সারি সারি গাছ
দেখেছো বন্ধু তুমি?
কেমন করে বুকের মাঝে
আঁকড়ে রাখে ভূমি।

শরতকালেরর শুভেচ্ছা বন্ধু
রইলো তোমার তরে,
সুভাষিত আর সৌন্দর্য
বয়ে যাক জীবন ভরে।

Advertisements

রম্যছড়া


————- ধর বেটারে ————-
________|| এম এ মেহেরাজ||_________
শক্ত করে
ধর বেটারে,
শালায় নাকি
জামাত করে।

কত্ত বড়
দাড়ির গোচা
আছেও মোচ
খোঁচা খোঁচা।

নিয়ে চল
স্যারের কাছে
দিতে হবে
আস্ত খিঁচে।

দেখেন স্যার
আনছি কারে,
বেটায় নাকি
জামাত করে।

থতমত খেয়ে
বললেন স্যার,
একি দেখছি
চোখে আমার।

কারে আনছিস
জানিস তোরা?
বলদের দল
কপাল পোড়া।

এতো আমার
প্রিয় কবি,
দেখিনি কভু
আছে ছবি।

তোরা পাপি
তোরা অসুর,
ইনি যে কবি
রবী ঠাকুর।

ছাতামাতা

হানিফ সাহেব নামাজে দাঁড়ালেন।তিনি প্রতিদিন নামাজ পড়তে দাঁড়ান,কিন্তু সমস্যা সেখানে নয়!সমস্যা হচ্ছে তিনি কিছুতেই নামাজে মনস্থির করতে পারলেননা।তার মনে বহু কিছুদিন ধরে যৌতুক যৌতুক করছে এটা তিনি খেয়াল করেছেন।সেই চিন্তা নামাজে এসেও ধরেছে,তিনি চিন্তার জগতে হারিয়ে গেলেন।তিনি ভাবছেন যে নামাজ শেষ করেই বাড়িতে গিয়ে স্ত্রির নিকট সসম্মানে সরাসরি যৌতুক না বলে কিছু টাকা চাইবেন।এবং তার চিন্তার ফল যদি না আসে তার প্রতিশোধ কিভাবে নিবেন তাও চিন্তা করে রাখলেন।পরক্ষণে ভাবলেন না এভাবে যৌতুক চাওয়াতে হারাম হয়!তিনি এবার ভাবলেন যে কৌশলে যৌতুক আদায় করতে হবে।এতে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা নেই।হেকমত অবলম্বনের কথা তিনি কোথায় নাকি শুনেছিলেন।যেটা করে নাকি হারামকে হালাল বানানো যায়। ভালো উপদেশ দেওয়ার মধ্যে দিয়ে যৌতুক চাওয়ার বিষয়টা শুরু করতে হবে এতে সওয়াবো কিছু পাওয়া যাবে হানিফ সাহেবের ধারণা। তার স্ত্রি নামাজ কলমা পড়েনা সারাক্ষণ স্টার জলছা নিয়ে ঘুমায়।তাই তিনি লাষ্ট ডিসিশন নিলেন যে গিয়েই নামাজ পড়েনা কেন এটা বলেই উরুমকিলানি দিবেন এবং সাথে সাথে বোনাস দিবেন যৌতুকের কথা আসলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে।
হঠাত তিনি চিন্তার ঘোর থেকে বের হয়ে এলেন।তিনি দেখতে পেলেন যে হুজুর রুকু শেষ করে সেজদা শেষ করে আবার দাঁড়ালেন যা তিনি খেয়ালিই করেননি।নামাজ শেষ হলো সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে তাতে হানিফ সাহেব খুব লজ্জিত হলেন এবং সাথে সাথে মসজিদ থেকে বের হয়ে হাটা ধরলেন।মনে মনে বললেন যে না আজ যে চিন্তা করেছেন যেটার জন্য তিনি লজ্জিত হয়েছেন তার সুদে আসলে তিনি তার স্থ্রীকে পিঠিয়ে উসুল করবেন।
#পরিশিষ্ট:কিছু কিছু ব্যাক্তি আমাদের সমাজে বিদ্যমান যারা হারামকে কৌশলে হালাল বানিয়ে নেয় এবং তাতে গুনাহর আশঙ্কা করেননা।
-আলোচ্য বিষয়টা সুস্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারিনি বলে দুঃখিত।

ছড়া মানেই মজা

——-ধুত্তরি ছাই
——–এম এ মেহেরাজ
ধুত্তরী ছাই
শুধু খাই খাই
পেটুক বউয়ের
কাণ্ড
কাজ কাম শেষে
ভাসায় এসে
খালি পড়া দেখি
ভান্ড।

আনলাম একি
রাক্ষুসে ঢেকি
বাজে সারাদিন
শব্দ,
এনে দাও সব
যদি পারো ভব
এই বলে করে
জব্দ।

পারিনা আর
করে সংসার
আমিতো প্রায়
শেষ,
দিয়ে জ্বালাতন
করে শাসন
পায় মজা খুব
বেশ।.